Breaking News
Home / অপরাধ জগত / আমরা মুসলিম এটাই কি আমাদের অপরাধ! দেখুন মুসলিম রোহীঙ্গা বোনদের নির্যাতন ভিডিও
Loading...

আমরা মুসলিম এটাই কি আমাদের অপরাধ! দেখুন মুসলিম রোহীঙ্গা বোনদের নির্যাতন ভিডিও

আমরা মুসলিম এটাই কি আমাদের অপরাধ! দেখুন মুসলিম রোহীঙ্গা বোনদের নির্যাতন ভিডিও

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য

আরোও পড়ূনঃ-

পুরুষাঙ্গে কালিজিরার তেল ব্যবহার করলে কি হয় দেখুন !!! কিভাবে পুরুষাঙ্গে কালিজিরার তেল ব্যবহার করতে হয় জানেন? বিস্তারিত পড়ুন……?

সর্বরোগের মহাওষুধ কালিজিরা। মৃত্যু ব্যতিত সকল রোগ থেকে মুক্তি পেতে কালিজিরার কথা ইসলামেও রয়েছে।কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।
কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। এতে আরও আছে আমিষ, শর্করা ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডসহ নানা উপাদান। পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি।

এর মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ। এতে রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক
কালিজিরার তেল এ প্রাকিতিক শক্তি আছে তাই এটির জন্য কালিজিরার তেল লিঙ্গে মাখলে সহজে বীর্যপাত হয় না এবং লিঙ্গ অনেক বেশি শক্ত হয়।
পুরুষাঙ্গ প্রতিদিন কালিজিরার তেল দিয়ে মালিশ করলে, পুরুষাঙ্গ শক্ত ও মোটা হতে পারে।

সবসময় পুষ্টিকর খাবার খান কারন প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারেই যৌনক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব। আর কিছু সেক্সফুড আছে যা সত্যিই যৌনক্ষমতা বাড়ায় ওগুলো খাবেন।

আসলে লিঙ্গ মোটা করা কিংবা লম্বা করার মত কোনো ব্যাবস্থা এখনো পর্যন্ত তৈরি হয়নি। আপনি যদি লিঙ্গ মোটা করার জন্যে কোনো কিছু করতে চান তাহলে সেটা আপনার জন্যে বিপদও ডেকে আনতে পারে।
সবসময় পুষ্টিকর খাবার খান কারন প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারেই যৌনক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব। আর কিছু সেক্সফুড আছে যা সত্যিই যৌনক্ষমতা বাড়ায় ওগুলো খাবেন।

কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।

কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। এতে আরও আছে আমিষ, শর্করা ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডসহ নানা উপাদান।

পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি।

এর মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো- হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ।

এতে রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

কালি জিরার স্বাস্থ্যগুন:

তিলের তেলের সাথে কালিজিরা বাঁটা বা কালিজিরার তেল মিশিয়ে ফোড়াতে লাগালে ফোড়ার উপশম হয়।

অরুচি, উদরাময়, শরীর ব্যথা, গলা ও দাঁতের ব্যথা, মাইগ্রেন, চুলপড়া, সর্দি, কাশি, হাঁপানি নিরাময়ে কালিজিরা সহায়তা করে। ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসাবে কালিজিরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্কিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি, মস্তিষ্কশক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়াতেও কালোজিরা উপযোগী।

মাথা ব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তি স্থানে দৈনিক ৩/৪ বার কালোজিরা তেল মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়।

কালোজিরা চূর্ণ ও ডালিমের খোসাচূর্ণ মিশ্রন, কালোজিরা তেল ডায়াবেটিসে উপকারী।

চায়ের সাথে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল বা আরক মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ ও বিগলিত হয়।

মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও সকল রোগ মহামারী হতে রক্ষা পাওয়া যায়।

জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা দূর করার জন্য কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু। এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়।0

সন্তান প্রসবের পর কাঁচা কালিজিরা পিষে খেলে শিশু দুধ খেতে পাবে বেশি পরিমাণে।

কালিজিরায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল এজেন্ট, অর্থাৎ শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান। এই উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ (ছোঁয়াচে রোগ) হয় না।

কালিজিরা মেধার বিকাশের জন্য কাজ করে দ্বিগুণ হারে। কালিজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক।

দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে; জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে।

কালিজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে।

দেহের কাটা-ছেঁড়া শুকানোর জন্য কাজ করে।

কালোজিরার যথাযথ ব্যবহারে দৈনন্দিন জীবনে বাড়তি শক্তি অজির্ত হয়। এর তেল ব্যবহারে রাতভর প্রশান্তিপর্ন নিদ্রা হয়।

প্রস্রাব বৃদ্ধির জন্য কালিজিরা খাওয়া হয়।
বহুমুত্র রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং নিম্ন রক্তচাপকে বৃদ্ধি করে ও উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাস করে।

মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
———————————–

রাগ কমানোর সহজ উপায়
:::::::::::::::::::::::::::::::::

রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন’- এটি শুধু কথার কথা নয়। দৈনন্দিন জীবনে এভাবেই আমরা হেরে যাই। আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রেগে যাই। কখনো কারো কথায় রেগে যাই আবার কখনো বা কারো আচরণে রেগে যাই। কিন্তু বিষয়টা নিয়ে কখনো ভেবে দেখেছেন কি?? আজ হয়তো আপনাকে কেউ ধাক্কা দিয়েছে কিংবা আপনার সাথে খারাপ আচরণ করেছে সেজন্য আপনি রেগে গেলেন। রেগে গিয়ে তাকে অনেক কথা শোনালেন কিংবা মারতে চাইলেন! এতে আপনার সম্মান বাড়বে? নাকি এতে করে সবাই আপনাকে শ্রদ্ধা করবে? এবার নিশ্চয়ই ভাবছেন রাগ কমাবেন কি করে? না ভেবে দেখে নিন রাগ কমানোর কিছু সহজ উপায়ঃ

☞ থামুনঃ

কেউ ইচ্ছে করে রাগ করে না। তবে সে রাগ যদি প্রিয়জনের প্রতি অভিমানের না হয়ে থাকে তবে নিজেকে বলুন থামতে। জি হ্যাঁ আপনি ঠিক পড়ছেন। যখনই কোনো বিষয় আপনার ভালো লাগবে না কিংবা আপনি বোঝাতে পারবেন না তখন থেমে যান। কেউ যদি আপনার সাথে খারাপ আচরণ করে তবে তার সাথে কথা বাড়িয়ে লাভ কি বলুন!! আবার কেউ যদি আপনাকে ধাক্কা দেয় তবে তার চেয়ে অন্ধই বা কে আছে এই পৃথিবীতে? তাই থেমে যান। এমন অনেক বিষয় আসবে যা আপনাকে করবে রাগান্বিত। তবে সেসব বিষয়ের জন্য প্রস্তুত রাখুন একটি শব্দ – ‘থামুন’ ।

☞ লক্ষ্য করুনঃ

আপনার রেগে যাবার কারণ জানেন? ভালো করে লক্ষ্য করুণ তো। যদি শুধু শুধু রেগে যান তবে তা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে কি? আর যদি তা না হয় তবে অবশ্যই কোনো বিষয় আপনার পছন্দ হয়নি। ভুল তো হতেই পারে। এবার লক্ষ্য করুণ তো পছন্দ না হওয়া বিষয়টা কিভাবে পছন্দের করে নেয়া যায়। রেগে গিয়ে নয় নিশ্চয়ই!!

☞ বুঝিয়ে দিনঃ

কেউ জুতা পরেআপনার ঘরে ঢুকলে আপনার ভীষণ রাগ হয়। মনে হয় সাথে সাথে তাকে একটা চড় মারতে। তবে তা না করে কখনো বুঝিয়ে বলেছেন কি? দেখুন না সে কি বলে। হয়তো সে খালি পায়ে হাঁটতে অভ্যস্ত নয়। আপনি চাইলে বিষয়টি দরজায় লিখে রাখতে পারেন। আবার বিকল্প হিসেবে সবার জন্য একটি পরিষ্কার স্যান্ডেলের ব্যবস্থা করতে পারেন। তবে এসব না করে আপনি রেগে গিয়ে আপনার ঘর নোংরা হতেও দেখতেপারেন!

☞ চিন্তা করুনঃ

আপনি অতি দ্রুত রেগে যান এবং রেগে গিয়ে হাতে যা থাকে ছুড়ে ফেলে দেন। সেটা আপনার মুঠোফোনও হতে পারে আবার হতে পারে কাচের গ্লাস। তবে ছুড়ে ফেলার আগে একবার চিন্তা করে দেখুন তো। আপনি নিশ্চয়ই ভাবছেন সেই সময় চিন্তা করা যায় না। তবে আপনার চিন্তা ভুল। আমাদের মস্তিস্ক চিন্তা ছাড়া থাকে না। আপনি হাত থেকে ছুড়ে ফেলার আগেও আপনার মস্তিস্ক তা নিয়ে চিন্তা করে দেখে যে তা ছুড়ে ফেলা যাবে কিনা! আরও নিশ্চিত হবার জন্য বলতে পারি কাউকে দেখবেন না রেগে গিয়ে পানিতে ঝাপ দিতে কিংবা দলিল আগুনে ফেলে দিতে! তাই রাগান্বিত হলেও আপনার সব সময় সক্রিয় মস্তিস্ক দিয়ে চিন্তা করুণ!

☞ সমাধান করুনঃ

আপনার রাগ হবার যদি কারণ থাকে তবে তার সমাধানও থাকবে। তাই সমাধান খুঁজে বের করে রাগ পরিহার করুন। আপনি বা আমি কেউই বেশি দিন এই পৃথিবীতে নেই। তাই ক্ষণিকের এই যাত্রায় রেগে গিয়ে সময় নষ্ট করে লাভ কি বলুন?? তাই চেষ্টা করবেন দ্রুত এর সমাধান করতে।

☞ মনোযোগ সরিয়ে নিনঃ

যে সব বিষয় নিয়ে আপনি রেগে যান সেই সব বিষয় থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিন। যেমন কেউ চিৎকার করছে বলে আপনার ভীষণ রাগ হচ্ছে, তাহলে আপনি চাইলেই স্থানটি ত্যাগ করে রাগ কমাতে পারেন। আবার কারো কোনো কাজ আপনার পছন্দ হচ্ছে না কিংবা কারো কথায় আপনি বিরক্ত তথা রেগে যাচ্ছেন, তবে সেই ক্ষেত্রে অন্য কাজে মনোযোগ দিন। এমন কিছু করুন যা আপনার ভালো লাগে। প্রিয়জনের সাথে কথা বলতে পারেন কিংবা চলচ্চিত্র দেখতে পারেন। দেখবেন রাগ কমে যাবে।

☞ ক্ষমা করুনঃ

মানুষ যেমনি মরণশীল তেমনি মানুষ মাত্রই ভুল করে। যদিও এরকম কোনো শব্দ ডিকশনারি’তে নেই তবুও মানুষ সব সময়ই কিছু না কিছু ভুল করে। তাই বলে সব ভুলের জন্য রেগে যাওয়া মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ না। রেগে না গিয়ে তাকে ক্ষমা করে দিন। দেখবেন তৎক্ষণাৎ না হলেও পরবর্তীতে আপনার ভালো লাগবে। তাছাড়া রেগে গিয়ে কি আপনি তার ভুল শুধরে দিতে পারবেন? ধরুন একজন রিক্সাচালক আপনার গাড়িতে স্ক্রাচ ফেলে দিয়েছে। এবার আপনি তার সাথে রাগ করলেই কি তা ঠিক হবে? তা না করে আপনি যদি তাকে ক্ষমা করে দেন তাহলে পরবর্তীতে সে সতর্ক থাকবে।

☞ পরিস্থিতিঃ

সবার পরিস্থিতি সব সময় এক রকম হয়না। আজ আপনি যার উপর রেগে যাচ্ছেন কাল হয়তো তার জায়গায় আপনি থাকবেন! তাই রাগ উঠলে পরিস্থিতিটা একটু বুঝে নিন। কেউ আপনাকে ইচ্ছে করে রাগিয়ে তুলবে না। তাই পরিস্থিতির কথা ভেবে দেখুন। দেখবেন আপনার রাগ কমেযাবে এবং আপনি বিষয়টা দ্রুত বুঝে যাবেন।

☞ স্থির থাকুনঃ

আমরা যখন স্থির থাকতে পারি না তখন যেকোনো বিষয় নিয়েই আমরা রেগে যাই। তবে রাগ ওঠার জন্য তখন পারিপার্শ্বিক অবস্থার চেয়ে বেশি দায়ি থাকি আমরা। কেননা মানসিক অস্থিরতার কারণে সব কিছু আমাদের ভুল মনে হয়। যার ফলে আমরা রেগে যাই। তাই আমাদের উচিত স্থির থাকা। আপনি যদি মানসিকভাবে স্থির থাকেন তাহলে মানসিক ভারসাম্যের বিপর্যয় ঘটবে না। ফলে আপনার রাগ কমে যাবে।

☞ যোগ-ব্যায়াম করুনঃ

যদি রাগ আপনার নিত্য সাথী হয় এবং যদি আপনি কিছুতেই তা কমিয়ে আনতে না পারেন তাহলে যোগ-ব্যায়াম করুন। দেখবেন কিছু দিনের মধ্যেই আপনার আচরণে পরিবর্তন আসবে এবং আপনি রাগ কমাতে পারবেন।

Loading...