Breaking News
Home / সাম্প্রতিক সংবাদ / মৌলভীবাজারে বিশাল বড় এক সাপের সাথে ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ , তারপর কি হলো দেখেন
Loading...

মৌলভীবাজারে বিশাল বড় এক সাপের সাথে ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ , তারপর কি হলো দেখেন

মৌলভীবাজারে বিশাল বড় এক সাপের সাথে ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ , তারপর কি হলো দেখেনমৌলভীবাজারে বিশাল বড় এক সাপের সাথে ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ , তারপর কি হলো দেখেনমৌলভীবাজারে বিশাল বড় এক সাপের সাথে ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ , তারপর কি হলো দেখেনমৌলভীবাজারে বিশাল বড় এক সাপের সাথে ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ , তারপর কি হলো দেখেনমৌলভীবাজারে বিশাল বড় এক সাপের সাথে ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ , তারপর কি হলো দেখেনমৌলভীবাজারে বিশাল বড় এক সাপের সাথে ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ , তারপর কি হলো

প্রথম শারীরিক মিলনে রক্তক্ষরন সম্পর্কে যেসব ভুল ধারনা করে

সব সময় প্রথম যৌন মিলনে রক্ত বের হয় না। নারীর যৌনাঙ্গে স্বতিচ্ছদ নামের পর্দা৯/১০ বছর বয়সে সাঁতার কাটা কিংবা খেলাদুলা করার সময় আপনা থেকেই ফেটে যেতে পারে। তাই রক্ত বের হবার সাথে একজন নারীর স্বতিত্ব জড়িত নয়। আবার অনেকে মনে করেন প্রথমদিন স্ত্রী যৌন মিলনে কান্নাকাটি- চিল্লা-পাল্লা না করার মানেই হলো সে অভ্যস্থ ছিল (অর্থাৎ আগে অন্যের সাথে শাররীক সম্পর্ক ছিলো ইত্যাদি ইত্যাদি..) বিধাতা নারীর যৌনাঙ্গকে এমন ভাবে সৃষ্টি করেছেন “যেন এটি যেকোন আকারের লিঙ্গকে গ্রহন করতে পারে”

একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীমোটা/চিকন/লম্বা/খাটো সব লিঙ্গের চাপ সইতে পারেন। যদি যৌন মিলনে নারী ঠিক মত উত্তেজিত হয় তাহলে যোনীতে যে পিচ্ছিল রস নিঃসরন হয় তা মুলতঃ ব্যথামুক্ত যৌন মিলনে হয়ে থাকে।

যেখানে বিধাতা নারীকে ব্যথামুক্ত মিলনের জন্য এমন সৃষ্টি রহস্য জুড়ে দিয়েছেন সেখানে আপনি কেন চাইবেন যে মানুষটি সম্পুর্ন জীবন কাটানোর জন্য আপনার ঘরে এসেছে – তার শুরুটা হউক কষ্টকর অভিজ্ঞতা দিয়ে? অনেক নারীই যৌন মিলনে ব্যথা অনুভব করেন। এমনকি বিয়ের ১০/১৫ বছর পরও।

তবে সবাই চিৎকার চেচামেচী করেন না। নিরব থাকার মানে এটা নয় যে নারী আগে থেকে যৌন মিলনে অভ্যস্থ। তবে অনেক নারী চালাকি করে প্রথমদিকে এমন ভাব করেন যেন তিনি সইতে পারছেন না!

অতএব ব্যথাপাওয়া না পাওয়ায় নারীর সতিত্ব প্রমান হয়না। আরো মজার ব্যপার হলো নারীর যোনী ৪৫ ডিগ্রি কৌনিক অবস্থায় থাকে এবং উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষের লিঙ্গও ৪৫ ডিগ্রিতে উর্দ্ধমুখী উত্থান হয়। ফলে অনায়াসে মিলনকাজ সম্পর্ন করা যায়। এ নিখুত সৃষ্টি রহস্য বিধাতাই আমাদের শরীরে রেখেছেন।
কোমরের মেদ দ্রুত কমান ১ টি সহজ উপায়ে
দেহের অন্যান্য স্থানের মেদের তুলনায় অনেক বেশি বিরক্তিকর মেদ হচ্ছে কোমরের মেদ, ইংরেজিতে যাকে বলা হয় লাভ হ্যান্ডেলস। পেটের মেদ, হাত-পায়ের মেদ এমনকি মুখের মেদও বেশ সহজেই ঝড়িয়ে ফেলা সম্ভব হয়। কিন্তু কোমরের দুপাশে উঁচু হয়ে ফুলে থাকা এই বিরক্তিকর মেদ দূর করা বেশ কঠিন। তবে আপনার নিয়মিত মাত্র ১ টি ব্যায়ামে এই বিরক্তিকর কোমরের মেদও ঝড়িয়ে ফেলা সম্ভব বেশ সহজেই এবং দ্রুত। খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী মাত্র ১ টি ব্যায়াম শিখে নিন-

কোমরের মেদ ঝড়াতে আপনাকে অবশ্যই ব্যায়াম করতে হবে। কারণ কোমরের মেদ এমন এক ধরণের মেদ যা শুধুমাত্র খাবার নিয়ন্ত্রণ করে দূর করা সম্ভব নয়। তবে চিন্তা করার প্রয়োজন নেই, কারণ খুব বেশি কঠিন ব্যায়াম করতে হবে না। খুব সহজ মাত্র ১ টি ব্যায়াম শিখে নিন। এই ব্যায়াম নিয়ম করে প্রতিদিন করে যেতে হবে। ভুল করা চলবে না, এতে বেশ দ্রুতই মুক্তি পাবেন কোমরের মেদ থেকে।

– প্রথমে দুই পা সামনের দিকে ছড়িয়ে মেঝেতে বসুন। এরপর দু পায়ের পাতা, কোমর এবং কোমরের পেছনের অংশের উপর ভর দিয়ে কোমর থেকে দেহের উপরের অংশ পেছনের দিকে হেলিয়ে নিন।
– এবার দুহাত একসাথে করে রেখে দেহের উপরের অংশ একবার ডানে নিয়ে হাত মাটিতে ছোঁয়ান। আবার একইভাবে বামে ছোঁয়ান।
– এই ডান-বাম করার ব্যাপারটি দ্রুত করে করবেন। তবে প্রথমে খুব বেশিবার করবেন না, যতোটা পারবেন ততোটাই করুন। ধীরে ধীরে এর মাত্রা এবং গতি দুটিই বাড়িয়ে দেবেন। খুব দ্রুত ফলাফল পেয়ে যাবেন।
– আরও ভালো ফলাফলের জন্য পায়ের পাতা মেঝে না রেখে পা দুটো একটু উপরে তুলে নিয়ে শুধুমাত্র কোমর ও কোমরের পেছনের অংশে ভর দিয়ে ব্যায়ামটি করে নিতে পারেন।
– প্রথম দিকে প্রতিদিন ২-৫ মিনিট এই ব্যায়াম করুন, এরপর দেহ সয়ে এলে ব্যায়ামের সময় বাড়িয়ে নিন।

মনে রাখুন ছোট্ট কিছু বিষয়

– ব্যায়ামের পাশাপাশি খাবারের দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে। অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে এই ব্যায়াম করলে ফলাফল পাওয়া সম্ভব নয়।
– চিনি ও চিনি জাতীয় খাবার এবং পানীয় দূরে রাখুন। অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাওয়া কমিয়ে দিন একেবারে।
– সকালে মাত্র ১০ মিনিটের জগিং বা সাইকেল চালানোর অভ্যাস অনেক দ্রুত এই সমস্যা সমাধান করতে পারে। যদি পারেন এই অভ্যাসটিও রপ্ত করে ফেলুন।
– প্রচুর পরিমাণে পানি পানের অভ্যাস করুন। এবং উপরের ব্যায়ামটি প্রতিদিন করুন।
দেহের অন্যান্য স্থানের মেদের তুলনায় অনেক বেশি বিরক্তিকর মেদ হচ্ছে কোমরের মেদ, ইংরেজিতে যাকে বলা হয় লাভ হ্যান্ডেলস। পেটের মেদ, হাত-পায়ের মেদ এমনকি মুখের মেদও বেশ সহজেই ঝড়িয়ে ফেলা সম্ভব হয়। কিন্তু কোমরের দুপাশে উঁচু হয়ে ফুলে থাকা এই বিরক্তিকর মেদ দূর করা বেশ কঠিন। তবে আপনার নিয়মিত মাত্র ১ টি ব্যায়ামে এই বিরক্তিকর কোমরের মেদও ঝড়িয়ে ফেলা সম্ভব বেশ সহজেই এবং দ্রুত। খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী মাত্র ১ টি ব্যায়াম শিখে নিন-

কোমরের মেদ ঝড়াতে আপনাকে অবশ্যই ব্যায়াম করতে হবে। কারণ কোমরের মেদ এমন এক ধরণের মেদ যা শুধুমাত্র খাবার নিয়ন্ত্রণ করে দূর করা সম্ভব নয়। তবে চিন্তা করার প্রয়োজন নেই, কারণ খুব বেশি কঠিন ব্যায়াম করতে হবে না। খুব সহজ মাত্র ১ টি ব্যায়াম শিখে নিন। এই ব্যায়াম নিয়ম করে প্রতিদিন করে যেতে হবে। ভুল করা চলবে না, এতে বেশ দ্রুতই মুক্তি পাবেন কোমরের মেদ থেকে।

– প্রথমে দুই পা সামনের দিকে ছড়িয়ে মেঝেতে বসুন। এরপর দু পায়ের পাতা, কোমর এবং কোমরের পেছনের অংশের উপর ভর দিয়ে কোমর থেকে দেহের উপরের অংশ পেছনের দিকে হেলিয়ে নিন।
– এবার দুহাত একসাথে করে রেখে দেহের উপরের অংশ একবার ডানে নিয়ে হাত মাটিতে ছোঁয়ান। আবার একইভাবে বামে ছোঁয়ান।
– এই ডান-বাম করার ব্যাপারটি দ্রুত করে করবেন। তবে প্রথমে খুব বেশিবার করবেন না, যতোটা পারবেন ততোটাই করুন। ধীরে ধীরে এর মাত্রা এবং গতি দুটিই বাড়িয়ে দেবেন। খুব দ্রুত ফলাফল পেয়ে যাবেন।
– আরও ভালো ফলাফলের জন্য পায়ের পাতা মেঝে না রেখে পা দুটো একটু উপরে তুলে নিয়ে শুধুমাত্র কোমর ও কোমরের পেছনের অংশে ভর দিয়ে ব্যায়ামটি করে নিতে পারেন।
– প্রথম দিকে প্রতিদিন ২-৫ মিনিট এই ব্যায়াম করুন, এরপর দেহ সয়ে এলে ব্যায়ামের সময় বাড়িয়ে নিন।

মনে রাখুন ছোট্ট কিছু বিষয়

– ব্যায়ামের পাশাপাশি খাবারের দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে। অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে এই ব্যায়াম করলে ফলাফল পাওয়া সম্ভব নয়।
– চিনি ও চিনি জাতীয় খাবার এবং পানীয় দূরে রাখুন। অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাওয়া কমিয়ে দিন একেবারে।
– সকালে মাত্র ১০ মিনিটের জগিং বা সাইকেল চালানোর অভ্যাস অনেক দ্রুত এই সমস্যা সমাধান করতে পারে। যদি পারেন এই অভ্যাসটিও রপ্ত করে ফেলুন।
– প্রচুর পরিমাণে পানি পানের অভ্যাস করুন। এবং উপরের ব্যায়ামটি প্রতিদিন করুন।

Loading...