Breaking News
Home / Uncategorized / ব্রেকিং নিউজ আজ চলচ্চিত্রের খলনায়ক ডন সহ তার ৪ সহযোগী নিহত…
Loading...

ব্রেকিং নিউজ আজ চলচ্চিত্রের খলনায়ক ডন সহ তার ৪ সহযোগী নিহত…

ব্রেকিং নিউজ খুন হয়েছে খল অভিনেতা ডন। মিডিয়া জুড়ে চলছে তোলপাড়

দেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা ‘প্রথম আলো’র প্রধান শিরোনাম ‘রাজধানীর আতংক ডন ৪ সহযোগীসহ নিহত’। প্রকাশিত সংবাদের সঙ্গে ছাপা হয়েছে বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় খলনায়ক ডনের ছবি। একটু ভালো করে তাকালে দেখা যায়, প্রথম আলোর গেটআপে পত্রিকাটির নাম ‘দেশের আলো’।

বোঝা গেল, মজা করার জন্যই কেউ প্রথম আলো পত্রিকায় এডিট করে ডনের ছবি বসিয়ে ‘দেশের আলো’ নাম দিয়ে অভিনেতা ডনের এ সংবাদটি প্রকাশ করেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবিটি নিয়ে চলছে নানা রকম চটকদার মন্তব্য। চলচ্চিত্র নির্মাতা হাসিবুর রেজা কল্লোল ছবিটি প্রকাশ করে ক্যাপশানে লিখেছেন, ‘খবর আছে’।

মেয়েদের মাসিকের সময় যেসব কাজ ভুলেও করা যাবে না , জেনে নিন ইসলাম কি বলে

সুতরাং স্বামীর জন্য জায়েয হবে না স্ত্রী সহবাস করা যতক্ষন না স্ত্রী হায়েয থেকে মুক্ত হয়ে গোসল করে পবিত্র হয়। বর্তমান চিকিতসা বিজ্ঞান বলছে যে, মাসিক অবস্থায় মেয়েদের জরায়ু থেকে যে স্রাব আসে, তাতে রয়েছে বিষাক্ত কিছু যৌগ।

তাই পুরুষদের সিফিলিস, গোনোরিয়া, লিংগ ছোট হয়ে যাওয়া, লিংগ বিকৃতিসহ নানা রোগের কারন মাসিক অবস্থায় সহবাস করা। ডিম্বানু ভেঙ্গে তা মাসিকের স্রাবের সাথে বেরিয়ে যায়। মাসিকের সময় কোন ডিম্বানু থাকে না।

যারা মনে করে মাসিকের সময় সহবাস না করলে সন্তান হয় না, এটা তাদের চরম মুর্খতা। তবে কখনো কখনো মাসিকের সময় ডিম্বানু গঠিত হয়, যদিও এটা বিরল। মাসিকের সময় একটি মেয়ে খুবই অসুস্থ থাকে, এর সাথে থাকে অসহ্যকর ব্যাথা-বেদনা, বমি বমি ভাব, মাথা ব্যাথা।

এই অবস্থায় তার সাথে সহবাস করা, তার উপর অমানবিক জুলুম ছাড়া আর কিছুই নয়।

মাসিক অবস্থায়ঃ

১) মাসিক অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা হারাম।

২) মাসিক অবস্থায় স্ত্রীর নাভী থেকে হাঁটু পর্যন্ত দেখা বা স্পর্শ করা হারাম।

৩) মাসিক অবস্থায় নামায পড়া যাবে না এবং তার কাযা মাফ।

৪) মাসিক অবস্থায় রোযা রাখা যাবে না, কিন্তু তার কাযা আদায় করতে হবে।

৫) মাসিক অবস্থায় কুরআ’ন শরীফ স্পর্শ করা বা মুখে উচ্চারণ করা হারাম।

৬) মাসিক অবস্থায় স্ত্রীর সাথে শোয়া, তাকে চুম্বন কিংবা আলিঙ্গন করা জায়েয।

৭) মাসিক শেষ, কিন্তু গোসল করে নাই, এমতাবস্থায় সহবাস করা যাবে না।

৮) মাসিক তিন দিনের কম বা ১০ দিনের বেশি হলে ইস্তিহাযা। ইস্তিহাযা অবস্থায় নামায পড়তে হবে।

৯) মাসিক অবস্থায় কাবা ঘর তাওয়াফ করা ছাড়া হজ্বের অন্যান্য কাজ করা যায়।

এখানে খুবই সহজ কিছু মাসয়ালা দেয়া হলো। মাসিকের মাসয়ালার পরিসর অনেক বড়। মাসিকের মাসয়ালা সমূহ মনে রাখা অনেক কঠিন কাজ। শতকরা ৫ ভাগ মেয়েও সঠিক মাসয়ালা মানা দূরে থাক, জানেও না।

তবে কেউ যদি ভুলে, অনিচ্ছাকৃত এবং না জেনে তাহলে তার কোন গুনাহ হবে না। আর যদি ইচ্ছাকৃতভাবে করে থাকে তাহলে কাফফারা দিতে হবে। কাফফারার পরিমাণ একদিনার বা অর্ধ দিনার।

কোনো কনো ফিকাহ বিদের মতে স্বামী দুটির যে কোন একটি দিতে পারবে। আবার কেউ কেউ বলেন মাসিকের প্রথম দিকে করলে ১ দিনার, শেষের দিকে বা মাসিক শেষ কিন্তু গোসল করে নি এমতাবস্থায় করলে অর্ধ দিনার।

Loading...