বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর থেকে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে গুঞ্জন দেখা দিয়েছে rằng তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান রাজনীতিতে পা রাখতে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিন তিনি বেশিরভাগ সময় পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবন লন্ডনে কাটালেও, 최근 বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তার আলোচনায় আসাটা বোঝায় যে, শিগগিরই তিনি সক্রিয়ভাবে দলের রাজনীতিতে যুক্ত হতে পারেন।
জাইমা রহমানের এই প্রবেশের বিষয়টি কোনও অপ্রত্যাশিত নয়। তার পরিবার যেমন বাংলাদেশের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তেমনি তার নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারও নিশ্চিতভাবেই আলোচনায় আসছে। তার রেখা যতদিন দূর থেকেও বোঝা যাচ্ছিল না, সম্প্রতি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে প্রতিনিধিত্ব করার মাধ্যমে বোঝা যায় যে, তিনি হয়তো দ্রুতই বিএনপির সাধারণ কার্যক্রমে যুক্ত হবেন।
প্রসঙ্গত, তিনি ঢাকায় ঢাকা সেনানিবাসে জন্মগ্রহণ করেন ১৯৯৫ সালের ২৬ অক্টোবর। এরপর তিনি লন্ডনে গিয়ে বিখ্যাত কুইন মরী ইউনিভার্সিটি থেকে আইন শিক্ষায় ডিগ্রি লাভ করেন। ২০১৯ সালে লিংকনস ইন থেকে বার অ্যাট ল’ সনদ অর্জন করেন। তার পেশাগত জীবন ও পারিবারিক ইতিহাসের কারণে, রাজনীতিতে তার পদার্পণ নিঃসন্দেহে দৃশ্যমান হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত বছর, তিনি তার দাদি খালেদা জিয়ার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরাসরি আলোচনায় অংশ নিয়েছেন। খালেদা জিয়া বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায়, তার স্বামী তারেক রহমানের বদলে জাইমা রহমানই দেশের বিভিন্ন দলীয় এবং আন্তর্জাতিক সফরে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্টের মতো আন্তর্জাতিক ফোরামে উপস্থিত থেকেছেন, যেখানে বিশ্বজনের নজর কেড়েছেন। এ ধরনের পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের জন্য তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
প্রথমবারের মতো গত বছর ২৩ নভেম্বর ইউরোপীয় প্রতিনিধিদের সম্মেলনে যোগ দিয়ে তিনি বিএনপির প্রবাসী কার্যক্রমে সক্রিয় অংশ নেন। তার এই প্রস্তাবিত রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং আন্তর্জাতিক উপস্থিতি নিশ্চিতভাবেই দলীয় ও জাতীয় পর্যায়ে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের দিকে ইঙ্গিত করে।
জাইমার জন্ম ১৯৯৫ সালের ২৬ অক্টোবর। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা করেন ঢাকার আন্তর্জাতিক স্কুল থেকে। এরপর ২০০৮ সালে পরিবারসহ লন্ডনে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। সেখানে তিনি বিখ্যাত কুইন মরী ইউনিভার্সিটি থেকে আইন অধ্যায়নে ডিগ্রি লাভ করেন। ২০১৯ সালে লিংকনস ইন থেকে বার অ্যাট ল’ সনদ অর্জন করেন, যা তাকে একজন পেশাদার আইনজীবী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে, তিনি তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও পারিবারিক দায়বদ্ধতা থেকে দেশের প্রতি আবেগ প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘ দিন প্রবাসে কাটিয়ে, তিনি মনে করেন, দেশে ফিরে নিজের যোগ্যতা and ভূমিকা পালন করতে চান। ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দলীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিতি তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা কমাচ্ছে।
তার দাদা জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ স্মৃতি, পিতার সঙ্গে নানা আলোচনা ও পারিবারিক ঐতিহ্য তার রাজনীতিতে প্রবেশের ভিত্তি তৈরি করছে। বিশেষ করে, তারেক রহমানের পরিবারের অন্যতম প্রতিনিধি ও ভবিষ্যত নেতা হিসেবে দেখতে পাওয়ায়, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিগগিরই তাকে দলের সাধারণ কার্যক্রমের সঙ্গে দেখা যেতে পারে।
অতীতে, তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে দলের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দলের উপস্থিতি বজায় রাখতে সাহায্য করেছেন। গত বছরের বিভিন্ন সফর, বৈঠক ও সভায় তার অংশগ্রহণ নিশ্চিতই প্রমাণ করে যে, তিনি দেশের রাজনীতিতে সক্রিয় হতে প্রস্তুত।
বর্তমানে তিনি দেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ধীরে ধীরে পরিবারের ঐতিহ্য, পারিবারিক দায়বদ্ধতা ও নিজের পেশাগত দক্ষতার সমন্বয় করে, তার রাজনীতিতে আগ্রহ ও পদার্পণের অনির্বচনীয় পথ প্রশস্ত হয়েছে।

