নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অবস্থিত পূর্বাচলের স্থায়ী ভেন্যুতে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার (বিবিসিএফইসি) ভবনে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ আয়োজনে দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীরা অংশ নিচ্ছেন এবং এ মেলা বাংলাদেশের বৃহত্তম পণ্য প্রদর্শনীর এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
প্রথম দিন থেকেই এ মেলার আয়োজন ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও আগ্রহের সৃষ্টি করেছে, কারণ এটি বাংলাদেশের অন্যতম বড় বাণিজ্যিক আসর। ১৯৯৫ সাল থেকে এই মেলা সাধারণত বছরের প্রথম দিন থেকেই বসে আসছে, কিন্তু ২০২২ থেকে পূর্বাচলের স্থায়ী ভেন্যুতে স্থানান্তরিত হয়। এবারের মেলাটি পঞ্চমবারের মতো বসছে। মেলার প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে এবং এতে দেশের পাশাপাশি অন্যান্য দেশ যেমন ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, হংকং, সিঙ্গাপুর ও নেপাল থেকে পণ্য প্রদর্শকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি বলছেন, এবারের মেলায় পলিথিন ব্যাগ ও সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরিবর্তে, পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ পরিবেশ ও অর্থনীতি উভয়ের জন্য উপকারী হিসেবে কম মূল্যে সরবরাহ করা হবে।
মেলার লে-আউট পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৩২৪টি প্যাভিলিয়ন, স্টল ও রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে যেখানে দেশের নির্মাতা ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো অংশগ্রহণ করছে। দর্শকদের সুবিধার জন্য কুড়িল বিশ্বরোড, ফার্মগেট, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী থেকে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে ডেডিকেটেড শাটল বাস চলবে। এর মাধ্যমে দর্শনার্থীরা সহজে মেলাতে আসতে পারবেন।
বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং বাণিজ্যের উন্নয়নে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মেলা, যেখানে নতুন পণ্য ও প্রযুক্তি পরিবেশনা ছাড়াও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি পাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

