আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্রের বাছাই সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানির প্রথমার্ধে ২৭ জনের আপিল নির্বাচন কমিশন (ইসি) মঞ্জুর করেছে। রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে ১২টার মধ্যে এই দু’ঘণ্টার আধিনের সময়ে মোট ৩৫ জনের আপিল শুনানি হয়। এরপর দুপুরে বিরতিতে যায় নির্বাচন কমিশন। দ্বিতীয়ার্ধের আপিল শুনানি শুরু হবে বিকেল ২টায়।
প্রথম ঘণ্টায়, অর্থাৎ সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে, ১২ জনের আপিলের শুনানি হয়। এর মধ্যে ১০ জনের আপিল অনুমোদন করেছেন নির্বাচন কমিশন, একজনের আপিল নামঞ্জুর এবং একজনের আপিল পেন্ডিংয়ে রাখা হয়েছে।
সকাল ১১টার দিকে, যাদের আপিল মঞ্জুর হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। যেমন চাঁদপুর-২ আসন থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল মুবিন, কুড়িগ্রাম-২ আসন থেকে বাংলাদেশের জাতীয় পার্টির মো. আতিকুর রহমান, গাজীপুর-২ আসন থেকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী খন্দকার রুহুল আমীন, টাঙ্গাইলের বিভিন্ন আসন ও অন্যান্য স্থান থেকে আরও বেশ কিছু প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর হয়েছে।
কোভিড পরিস্থিতি ও বিধান অনুযায়ী বা অন্যান্য বিষয়ের ভিত্তিতে কিছু আপিল পেন্ডিং অবস্থায় রয়েছে, যেগুলির জন্য আগামী ১৬ তারিখ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় ঘণ্টায়, অর্থাৎ ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে, মোট ২৩ জনের আপিল শুনানি হয়। এর মধ্যে ১৭ জনের আপিল মঞ্জুর এবং ৪ জনের আপিল নামঞ্জুর ঘোষণা করা হয়। আবার ২ জনের আপিল পেন্ডিংয়ে রাখা হয়।
১২টার আগে পর্যন্ত, যাদের আপিল মঞ্জুর হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন প্রার্থি ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। শাহীনুর রহমান, কামরুন্নাহার সাথী, মো. আলী আশ্রাফ, মো. বেলাল হোসেন, মো. শাহিনুর রহমান, মো. নুর ইসলামসহ আরো অনেকে এই তালিকায় রয়েছেন। এছাড়া, কিছু স্বতন্ত্র ও দলীয় প্রার্থিদের আবেদনও এই পর্যায়ে মঞ্জুর হয়।
অপরদিকে, রাজশাহী, শেরপুর, ভোলা ও রংপুরের কিছু প্রার্থীর আপিলNAMউর করা বা পেন্ডিংয়ে রাখা হয়েছে, তাদের জন্য আগামী ১৬ তারিখের মধ্যেই পুরো কাগজপত্র সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনের প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও জটিলতা এড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

