টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন এলাকায় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে গুলিবর্ষণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সো মো-কে তলব করা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ তাদের ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করে, জানানো হয় যে, সীমান্ত পার হয়ে গুলিবর্ষণের ঘটনা খুবই গুরুতর এবং এতে ১২ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি কন্যা শিশুর শরীর মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে। এই ধরনের পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং দুই দেশের মধ্যে সৌহাদ্য ও সহযোগিতা বন্ধের পরিপন্থি বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ দেশটি মনে করে, মিয়ানমারকে অবশ্যই এ ধরনের সীমান্ত ঝুঁকির জন্য পুরো দায়িত্ব নিতে হবে এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি, বাংলাদেশ জোর দিয়ে বলে, মিয়ানমার সরকারের উচিত তাদের অভ্যন্তরীণ সংঘাত ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে যাতে এইসব ঘটনা বাংলাদেশে প্রভাব ফেলতে না পারে। বাংলাদেশ পক্ষ থেকে এ বিষয়ে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে এই প্রতিবাদের পাশাপাশি, আহত শিশুটি ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়, একদিকে তারা আশ্বাস দেন যে, এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। এ ঘটনা অব্যাহতভাবে বাংলাদেশের শত্রুতা ও অবিচার হিসেবে দেখা হচ্ছে, এবং এর প্রভাব অস্বীকার করা যায় না।

