আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের বিষয়ে এক প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় এটি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠে।
জনমনে এখনও নির্বাচনের ব্যাপারে সন্দেহ আছে—এমন প্রশ্নের জবাবে রিজওয়ানা হাসান বলেন, নির্বাচন অনিবার্যভাবে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। তবে, কিছু লোক এই সময়ে নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, যাতে মানুষ দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, এই ধরনের প্রপাগান্ডা বা বিভ্রান্তি ছড়ানো কোনো লাভে guide নেবে না।
সাংবাদিকদের কাছে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে, তখনও এ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে। কারণ, আওয়ামী লীগ এখনই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য আইনত দায়ী নয়, তবে তাদের অংশ না নিলেও নির্বাচন হবে এবং এটি অংশগ্রহণমূলক হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে বিভিন্ন দল থেকে অভিযোগ আসতে পারে। তবে নির্বাচন কমিশনের এখেত্রে অত্যন্ত স্বচ্ছ ও স্পষ্ট পথ রয়েছে প্রতিকার দেওয়ার জন্য।
নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা ও সরকারের অবস্থান বিষয়েও রিজওয়ানা হাসান মন্তব্য করেন, যারা পরিবর্তন ও সংস্কার চান, তাদের জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে রায় দেওয়া উচিত। সরকারের এই প্রচারাভিযান একদিক থেকে নিরপেক্ষ থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। সরকারের কাছে ক্ষমতা রয়েছে আইন পাসের, তাই এই বিষয়ে তাদের অবস্থান স্বচ্ছ। এভাবে গণভোটের জন্য সরকারের প্রচারণাও প্রশ্নের বাইরে থাকবে না।
অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়ে জানতে চাইলে, তিনি জানান, বিষয়টি সরকারের নজরে আছে। এ ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখন থেকেই কার্যক্রম শুরু করবে, যাতে দ্রুত সমাধান সম্ভব হয়।
সার্বিকভাবে, এসব বিষয় নিয়ে সরকারের প্রস্তুতি এবং সিদ্ধান্তে স্পষ্টতা ও নাগরিকের আস্থা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ, যা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য ও পরিকল্পনায় রয়েছে।
আজকের খবর/বিএস
