জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দেশের আটজন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) বদলির আগের আদেশ বাতিল করেছে।
মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০ জানুয়ারির প্রজ্ঞাপনে নেয়া ৮ জন ইউএনওর বদলির আদেশ এতদ্বারা বাতিল করা হলো।
এর আগে নির্বাচন কমিশনের সম্মতির পর মঙ্গলবার একই কর্মকর্তাদের বদলি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। ওই প্রজ্ঞাপনে তাদের ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য হবে—এই নির্দেশটিও ছিল। এখন তা বাতিল করা হয়েছে।
বদলির তালিকায় থাকার সময় প্রস্তাবিত কর্মস্থলগুলো ছিল —
বরগুনা পাথরঘাটার ইউএনও ইসরাত জাহানকে ভোলার চরফ্যাশনে বদলি করা হয়েছিল।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের ইউএনও মো. আল-আমীনকে ফরিদপুরের নগরকান্দায় বদলি করা হয়েছিল।
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার ইউএনও রেহেনা আক্তারকে বগুড়ার ধুনটে বদলি করা হয়েছিল।
হবিগঞ্জের বাহুবলের ইউএনও লিটন চন্দ্র দে-কে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের ইউএনও হিসেবে বদলি করা হয়েছিল।
বগুড়ার ধুনটের ইউএনও প্রীতিলতা বর্মনকে হবিগঞ্জের বাহুবলে, ফরিদপুরের নগরকান্দার ইউএনও মেহরাজ শারবীনকে নেত্রকোণার কলমাকান্দায়, নেত্রকোণার কলমাকান্দার ইউএনও মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় এবং ভোলার চরফ্যাশনের ইউএনও মো. লোকমান হোসেনকে বরগুনার পাথরঘাটায় বদলি করা হয়েছিল।
বাতিলকরণ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বদলির কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
আজকালের খবর/ এমকে

