দেশজুড়ে নদী, খাল, জলাশয় খনন ও পুনঃখননের এই মহতী উদ্যোগের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় এই বিশাল কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তিনি। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের নদী-নালা ও জলাশয়সমূহের অবস্থা উন্নত ও পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও জানান, ১৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পাশাপাশি দেশের মোট ৫৪টি জেলায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসনকে সাথে নিয়ে এই কর্মসূচির সূচনা করবেন। পানি সম্পদ, স্থানীয় সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে এই বৃহৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পটি কেবল একটি উন্নয়নমূলক উদ্যোগ নয়, এটি সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত করার এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অঙ্গীকার। তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, যন্ত্রপাতির ব্যবহার কমিয়ে অন্তত ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ শ্রমিকদের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। এর ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে কর্মসংস্থানের একচ্ছত্র সুযোগ সৃষ্টি হবে।
প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পে শ্রমিকদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদেরও সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের এই বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
অতীতে খাল খনন প্রকল্পের নামে অর্থ লুটের সংস্কৃতি বন্ধ করতে সরকারের কঠোর মনোভাব543 আছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, জনসাধারণের সম্পৃক্ততা বাড়ানো হলে অশুভ প্রতিক্রিয়া ও দুর্নীতির সুযোগ কমে যাবে। এই জন্য স্থানীয় মন্ত্রী এবং এমপিরা সরাসরি মাঠে উপস্থিত থেকে কাজের তদারকি করবেন। সাধারণ মানুষ নিজের চোখে দেখেও কাজের বাস্তবতা যাচাই করতে পারবে, যা দুর্নীতির সুযোগ অনেকখানিই কমিয়ে দেবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
আজকের খবর/বিস

