গণমাধ্যম এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সবাইকে আহ্বান জানিয়ে উপস্থিত হয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি এক ইফতার ও আলোচনা সভায় অংশগ্রহণের সময় এ কথা বলেন, যা আয়োজিত হয় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বিএনপির আন্দোলনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি ছিল, তাই ভবিষ্যতেও যেন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অব্যাহত থাকে, এ জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, একটি মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যম ধনী সমাজের বৃহৎ প্রত্যাশা।
কথাচ্ছিলেন, বাংলাদেশকে একটি উদারপন্থি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তর করার সুযোগ এসে গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগামীকাল দেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন হবে, যখন নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, সেই নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে নতুন সংসদ গঠন হবে এবং এই সংসদকে দেশের সমস্ত সরকারি কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে অনেক সাংবাদিক বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, হামলা এবং মামলার সম্মুখীন হয়েছেন। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি আর দেখা না যেতে, এজন্য সবাইকে সক্রিয়ভাবে সচেতনতায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণতান্ত্রিক চর্চাকে যেন প্রতিষ্ঠিত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়। তিনি উল্লেখ করেন, মব কালচার বা দলবদ্ধ অপরাধ গণতন্ত্রকে পিছিয়ে দেয়। বরং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা গণতন্ত্রের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে।
এছাড়া, অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার। তিনি বলেন, দেশের অগ্রগতির জন্য জনগণ, রাজনৈতিক দল ও গণমাধ্যম—এই তিন শক্তির সমন্বয় প্রয়োজন।
এটি ছিল সামগ্রিক আলোচনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা, যেখানে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভবিষ্যতের রাজনৈতিক দিকগুলি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।

