খালেদা জিয়ার জানাজা পর্যবেক্ষকদের জন্য হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যের সৃষ্টি করে। মূল জানাজার স্থান নির্ধারিত ভেন্যুর কাছাকাছি পৌঁছাতে না পারায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তার উপরই উপস্থিত হতে বাধ্য হন। এর ফলে জানাজা শেষে জানাজার লাইন কারওয়ান বাজার, বিজয় সরণি, ধানমন্ডি, এবং আগারগাঁও পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। এই ব্যাপক জনসমাগমের ফলস্বরূপ, জাতীয় সংসদ ভবন, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এবং আশপাশের এলাকা সম্পূর্ণভাবে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ভোরে গুলশান থেকে খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী গাড়িবহর যখন সংসদ ভবনের দিকে এগোতে শুরু করে, তখন বিভিন্ন বিত্তশালী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কূটনৈতিক প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষ সবাই অপেক্ষা করেন। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, বিভিন্ন দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনীতিকরা, বিএনপি নেতাকর্মীসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। এই দুঃখের মুহূর্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে, পুরো এলাকাকে বিভিন্ন নিরাপত্তা জোনে বিভক্ত করে। জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেরেবাংলা নগরস্থ চন্দ্রিমা উদ্যানে, স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে সমাহিত করা হবে বিএনপি নেত্রীর দেহ। মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা যান খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুতে সরকারের পক্ষ سے একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয় এবং পুরো দেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোকও কার্যকর হয়।

