আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে হজযাত্রীদের জন্য নির্ধারিত ১১ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই পরীক্ষাগুলোর ভিত্তিতে তারা হজের জন্য টিকা গ্রহণ করতে পারবে। এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে। সেখানে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের আগে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করতে হবে, যাতে টিকা কার্যক্রমের আগে ইতোপূর্বে সকল প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিশ্চিত হয়।
তথ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে—যুক্তরাষ্ট্রের ইউনাইটেড রিজার্ভ রুমে রুটিন ইউরিন পরীক্ষা (UR), গ্লুকোজ র্যান্ডম (RBS), এক্স-রে বুকের স্বচ্ছ পি/এ ভিউ (X-Ray Chest P/A view) সহ, ইসিজি (ECG), সিরাম ক্রিয়েটিনিন, সম্পূর্ণ রক্ত পরীক্ষা (CBC with ESR) ও রক্তের গ্রুপ ও রিএচ টাইপিং। আবার কিছু রোগের নির্ণয়ের জন্য বিশেষ পরীক্ষা করানোরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যেমন হৃদপিন্ডের সমস্যা শনাক্তের জন্য ইকোকার্ডিওগ্রাফি, কিডনি জটিলতার জন্য সিরাম ক্রিয়েটিনিন ও ইউএসজি অফ কুব, লিভার সিরোসিসের ক্ষেত্রে ইউএসজি অফ ওল্ড অম্বেদেম ও উপরের জি আই টি-এ এন্ডোস্কোপি, ফুসফুসের দীর্ঘস্থায়ী রোগের জন্য স্যুপটিউম ফর AFB, চেস্টের সিটি স্ক্যান, সিরাম বিলিরুবিন, সিজিপিটি ও অ্যালবামিন গ্লোবিউলিন অনুপাত।
হজযাত্রীরা তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ও ই-হেলথ প্রোফাইলের কপি টিকা কেন্দ্রে মেডিকেল টিমের সামনে দাখিল করে টিকা গ্রহণের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সনদ লাভ করতে পারবেন। কোনো অসুবিধা বা প্রশ্ন থাকলে হজ কল সেন্টার ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবারের হজে বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত সাড়ে ৭৮ হাজার হজযাত্রী হজের সুযোগ পাবেন।

