টানা তিন দফা দর বৃদ্ধির পর আন্তর্জাতিক বাজারে বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম কিছুটা কমেছে। গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে উত্তেজনা কমে আসায় ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে বিনিয়োগ ফিরে আসার প্রভাব পড়ে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বিবেচিত স্বর্ণের ওপর। পাশাপাশি, নিকট ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সুদহার কমার সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় সোনার ওপর চাপ বেড়েছে।
গ্রিনিচ মান সময় সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে স্পট স্বর্ণের দাম ০.৩ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি 4,824.18 মার্কিন ডলারে নেমে আসে। দিনের শুরুর দিকে একপর্যায়ে দাম প্রায় ১ শতাংশ পর্যন্ত পড়েছিল। ফেব্রুয়ারি ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার্সও ০.২ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি 4,826 ডলারে লেনদেন হয়েছে।
স্থানীয় বাজারে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ২,৫২,৪৬৭ টাকা। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বাজুস এক রাউন্ডে ভরিকে ৮,৩৩৯ টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে ২,৪০,৯৭৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২,০৬,৫৬৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১,৬৯,৬৫৩ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে যে স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের উপর সরকার-নির্ধারিত ৫% ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬% অবশ্যই যোগ করতে হবে; তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরিতে তারতম্য থাকতে পারে।
ছোটচানো ভারতের আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা ও ঘনীভূত ভর্তুকি উভয়ই স্থানীয় চাহিদা ও মূল্য নির্ধারণে প্রভাব ফেলে। এই সংবাদে ব্যবহৃত তথ্য রয়টার্স উৎসভিত্তিক।

