ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা মন্তব্য করেছেন যে, ভূগোলিক নৈকট্য 활용 করে বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরকে এবং এই অঞ্চলের উন্নতিতে অনেক কিছু দিতে পারে। শনিবার ঢাকায় ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুদেশের সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রণয় ভার্মা বললেন, “অগ্রসরমান সমাজ হিসেবে যখন আমরা একসঙ্গে কাজ করি, তখন আমাদের ভূগোলিক এই কাছাকাছি স্থানকে নতুন সুযোগে রূপান্তর করে একে অপরকে এবং আমাদের অঞ্চলকে অনেক কিছু দিতে পারি।” তিনি আরও যোগ করলেন, “আমাদের অংশীদারিত্ব কেবল অর্থনৈতিক নয়, এটি উভয় দেশের জনগণ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য সুবিধা আনে। এর অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে। এগিয়ে যাওয়ার জন্য এসব সাফল্য আমাদের ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উৎসাহ যোগায়।” প্রণয় ভার্মা বলেন, এ সহযোগিতা দুটি দেশের যৌথ ইচ্ছে ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। তিনি উল্লেখ করেন, “আজকের তরুণ, দক্ষ ও উদ্ভাবনী জনগোষ্ঠী দ্বারা পরিচালিত এই দুই দ্রুত বর্ধনশীল সমাজের মধ্যে ভারত ও বাংলাদেশ একে অপরের টেকসই অগ্রগতি ও ভবিষ্যতের সমৃদ্ধির জন্য একত্রে কাজ করতে পারে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা মিলিতভাবে আঞ্চলিক মূল্য শৃঙ্খল, যৌথ ডিজিটাল ইকোসিস্টেম ও জ্বালানি করিডোর নির্মাণে এগিয়ে যেতে পারি, যা আমাদের দুজনের অর্থনীতির উন্নতিতে সহায়তা করবে।” তিনি উল্লেখ করেন, “আমাদের এলাকা যেন পরিচ্ছন্ন, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ জ্বালানির ভবিষ্যৎ পায়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। পরিবেশগত স্থায়িত্ব ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় আমাদের একসাথে কাজ করতে হবে।” ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ‘দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্বের মূল্য’ নতুন করে তুলে ধরেন হাই কমিশনার। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সফলতা কামনা করছি। আমরা একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপ্রিয় ও প্রগতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়েছি এবং ভবিষ্যতেও দেওয়া অব্যাহত রাখব।” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ, এবং সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। এতে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও পেশাজীবী শ্রেণীর প্রতিনিধিরা।

