দেশের ১৭টি অঞ্চলের উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো বা দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর পাশাপাশি সেখানে ভারী বর্ষণ বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই কারণে সংশ্লিষ্ট নৌবন্দরগুলোকে প্রথম স্তরের সতর্ক সংকেত দেখানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার (২৯ এপ্রিল) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট বিভাগের উপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হতে পারে। এ ছাড়াও সেখানে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এজন্য এসব এলাকার নৌবন্দরগুলোকে নতুন করে সতর্ক সংকেত দেখানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অপর দিকে, মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আগামী ৪৮ ঘণ্টার জন্য আরও বিপজ্জনক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের উপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে। ঝড়ের সঙ্গে তীব্র দমকা হাওয়া এবং বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে।
এছাড়াও, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যেখানে কিছু জেলায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বা তার বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে নিম্নাঞ্চলগুলোতে অস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে ভারী বর্ষণে ভূমিধসের ঝুঁকি বেশি বলে সতর্ক করে দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব এলাকায় প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, দেশের মধ্যে বজ্রমেঘের সৃষ্টি অব্যাহত থাকায় এই পরিস্থিতি আরও কিছু সময় স্থায়ী হতে পারে। সাথে সাথে, সোমবারের পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, সামগ্রিকভাবে দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি আরও সতর্কতা ও পরিকল্পনা জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
