The Daily Janatar Kontho
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • তথ্য প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
No Result
View All Result
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • তথ্য প্রযুক্তি
  • অন্যান্য
No Result
View All Result
The Daily Janatar Kontho
No Result
View All Result
Home জাতীয়

জিরো টলারেন্সে ডিএমপির কঠোর অভিযান: চাঁদাবাজি ও অপরাধের বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা

by Janatar Kontho
May 3, 2026
in জাতীয়
Share on FacebookShare on Twitter

ঢাকা মহানগরে চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও অনলাইন জুয়াদারদের বিরুদ্ধে বিশেষ ও কঠোর অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপি সূত্র জানিয়েছে, এই জোরালো অভিযানে এখন পর্যন্ত ৫৮ জন তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ এবং তাদের মোট ৯৪ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রবিবার (৩ মে) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার। তিনি জানান, ঢাকায় পুলিশের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও ফলপ্রসূ করার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। মূলত, মূল কঠোরতা থাকবে চাঁদাবাজি নির্মূলে। এর পাশাপাশি মাদকের অবাধ বিস্তার, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার, সন্ত্রাস ও অনলাইন জুয়ার মতো অপরাধগুলো নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হবে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল underpinning। এই কঠোর উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সব ধরনের অপরাধ দমন, সাধারণ নাগরিকের শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনা এবং নগরীকে আরও নিরাপদ করা।

এছাড়াও, তিনি জানান, অপরাধপ্রবণ এলাকার পরিষ্কার নোটিশ নেওয়া হচ্ছে এবং সেখানে বিশেষ অভিযান ও আকস্মিক ব্লক রেইড চালানো হচ্ছে। চেকপোস্ট বসানো, গোয়েন্দা নজরদারি, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধীদের গা-ঢাকা বা পালানোর পথ বন্ধ করা হচ্ছে। ডিবি, সিটিটিসি, সাইবার মনিটরিং টিমসহ অন্যান্য সংস্থাগুলো সক্রিয়ভাবে কাজ করছে, যাতে অনলাইন অপরাধ, জুয়া, প্রতারণার মতো বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাজার, সীমান্তবর্তী স্পর্শকাতর এলাকা ও ট্রানজিট পয়েন্টে নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আপনি-নিয়মে মামলা দেওয়া হচ্ছে, এবং তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করে আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

মাদকবিরোধী অভিযানের বিষয়ে তিনি জানান, চলমান অভিযানে গত এক সপ্তাহে ৮০ কেজি গাঁজা সহ বিশাল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়েছে। আগে যেখানে ছোট মাদক চালান ধরা পড়ত, সেখানে এখন বড় বড় চালান ধরা পড়ছে। পাশাপাশি, অভিযানে সক্রিয় মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে তাদের মূল গডফাদারদের চিহ্নিত করার কাজও এগিয়ে যাচ্ছে, যার সঙ্গে মানি লন্ডারিংসহ অন্যান্য মামলা পরিচালিত হচ্ছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্থানে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন, নতুন শহরাঞ্চলে আরও ক্যাম্প নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে আরও ক্যাম্প ও সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে, যাতে দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত ও দমন করা যায়।

ডিএমপি কমিশনার জনগণকে অনুরোধ করেছেন, সন্দেহজনক ব্যক্তি, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী বা অনলাইন প্রতারকদের তথ্য তিনি যেন পুলিশকে জানান। তিনি উল্লেখ করেন, অপরাধীদের কোনওরকম তদবির বা আইন উপেক্ষা করবে না এবং অপরাধের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

একই সঙ্গে, তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দেন, তদবিরের জন্য যদি কেউ অপরাধীদের রক্ষা করে, তাহলে সেই ব্যক্তিরাও অক্রিমের সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে। ডিএমপি প্রধানের নির্দেশ, অপরাধীর বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা থাকবে, অর্থাৎ তার সব ধরনের সমর্থন বন্ধ করে দেওয়া হবে।

চাঁদাবাজদের রাজনৈতিক পরিচয় থাকুক বা না থাকুক, মূল বিষয় হলো, যারা অপরাধ করছে, তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে এবং গ্রেপ্তার করা হবে। তিনি বলেন, এই অভিযান শুধুমাত্র থানা নয়, ডিবি, সিটিটিসি ও র‍্যাবেরও অংশগ্রহণে চলছে। আটকাদের তালিকাও নিয়মিত হালনাগাদ হচ্ছে, ভবিষ্যতে যারা গ্রেপ্তার হবে তাদের নামও এই তালিকায় যুক্ত হবে।

উচ্চ পর্যায়ের সন্ত্রাসী ও গ্রুপের নেতাদের বিষয়েও মন্তব্য করে তিনি জানান, এখন তেমন শীর্ষ সন্ত্রাসীদের আনুকূল্য বা উপদ্রব নেই, তবে মধ্যম স্তরের কিছু সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধেও নজর রাখছেন পুলিশ। তাদের মধ্যে কিছু আর জন্মগত আঘাতের সঙ্গে পরিচিতি রয়েছে, আবার কেউ কেউ নিজেদের মধ্যে মারামারি করছে। এ সব বিষয়ে গোয়েন্দাদের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করা হচ্ছে এবং দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার পরিকল্পনা অব্যাহত আছে।

মোহাম্মদপুর এলাকার জেনো নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি জানান, বসিলায় ১০০ সদস্যের একটি ক্যাম্প রয়েছে যেখানে এপিবিএনের ৬৬ জন সদস্য কাজ করছেন। এই ক্যাম্প দিয়ে দিনরাত ‘ব্লক রেইড’ চলছে। এতে আরও দুটি ক্যাম্প রয়েছে, পাশাপাশি ভবিষ্যতে মোহাম্মদপুরে নতুন থানার জন্য প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। রায়েরবাজারেও একটি নতুন থানার প্রস্তাব সরকারের দাপ্তরিক পর্যায়ে রয়েছে।

সর্বশেষ, তিনি সকল নাগরিকদের অনুরোধ করেছেন, সন্দেহজনক ব্যক্তিদের তথ্য পুলিশকে জানাতে, যাতে অপরাধ দ্রুত শনাক্ত ও প্রতিরোধ সম্ভব হয়। তিনি স্পষ্ট করেছেন, অপরাধ কোনোটিই গ্রহণযোগ্য নয়, এবং প্রতিটি অপরাধীর জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Next Post

সরকারের ঋণ জটনা ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে প্রধানমন্ত্রী

No Result
View All Result

সম্পাদকঃ জহিরুল হোসেন চৌধুরী
প্রধান কার্যালয়ঃ প্লট-৫৭৬/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-বি/৫৬, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ ও সুপ্রভাত মিডিয়া লিমিটেড ৪ সিডিএ বাণিজ্যিক এলাকা, মোমিন রোড, চট্টগ্রাম-৪০০০ থেকে মুদ্রিত।

যোগাযোগ
সাধারণঃ [email protected]
সম্পাদকঃ [email protected]
খবরঃ [email protected]
বিজ্ঞাপনঃ [email protected]

  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • তথ্য প্রযুক্তি
  • অন্যান্য

Copyright © 2024 All rights reserved by Janatar Kontho.

No Result
View All Result
  • ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দালাল আইন প্রত্যাহার করে ধর্ষকদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনর্বাসিত করা হয়েছে’
  • ২৫ বিমা কোম্পানিকে আইপিওতে আসতে আইডিআরএর তাগিদ
  • Home 2
  • Homepage
  • Sample Page
  • আওয়ামী লীগ হচ্ছে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের দল: মির্জা ফখরুল
  • একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পারদর্শী সেনাবাহিনী গঠনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছি: প্রধানমন্ত্রী
  • কঙ্গনার বিরুদ্ধে মামলা!
  • কানেই মুখ দেখাবেন ‘দেবী চৌধুরাণী’
  • দুইশও করতে পারলো না মাহমুদউল্লাহ একাদশ
  • নির্বাচন কমিশন ভোট বাতিলের ক্ষমতা হারায়নি: ইসি রাশেদা
  • পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠি
  • স্টেডিয়ামে ঢুকতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ১২ জনের মৃত্যু

Copyright © 2024 All rights reserved by Janatar Kontho.