বাংলাদেশ থেকে বেশিরভাগ স্থলবন্দর দিয়ে প্রক্রিয়াজাত খাবার ও ফল রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজারে মারাত্মক আঘাত লেগেছে। এর ফলে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যসহ ফল ও ফলজাত পানীয়ের রপ্তানি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রপ্তানিকারকদের মতে, বন্দরে চলমান জটিলতা ও নতুন পরীক্ষাগার ভিত্তিক নিয়মের কারণে সরবরাহে বিলম্ব ও খরচ বাড়ছে, যা দেশের রপ্তানি হারকে কমিয়ে দিচ্ছে।
প্রায় তিন দশক ধরে বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও ফল রপ্তানি বাংলাদেশের অন্যতম বড় আয়বাহী খাত। ভারতের মূল ভূখণ্ডসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্যের বড় বাজার থাকলেও, গত বছর থেকে স্থলবন্দর দিয়ে এই রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে। বিশেষ করে আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরামে বাংলাদেশি পণ্য ট্রানজিট ও সরাসরি প্রবেশের পথ বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশি ফল, ফলের পানীয় ও অন্যান্য খাদ্যপণ্য ভারতীয় লাইসেন্স ও নিয়মপ্রয়োগের কারণে এখন শুধুমাত্র কলকাতা ও মুম্বাই সমুদ্রবন্দর দিয়ে আমদানি সম্ভব।
আরও উল্লেখ্য, ভারত গত বছর থেকে ট্রান্সশিপমেন্ট ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছে, যাতে বাংলাদেশি পণ্য তৃতীয় দেশে যেতে পারেন। এ সব পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়েছে এবং অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কানাঘোষা হচ্ছে, এসব নিষেধাজ্ঞার কারণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও বৈদেশিক বাণিজ্যের জন্য দুর্দ্বার ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে।
