সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির জন্য দেশের সকল আবেদনকারীকে আগামী ১ আগস্ট থেকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এই আবেদন চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। সরকারি বিভাগ থেকে সম্প্রতি এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তি এবং অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন ভাতা ও উপবৃত্তির আবেদন এই সময়ের মধ্যে নেওয়া হবে। এর আগে, ১ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত এসব বিষয়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে, যাতে আবেদনকারীরা সহজে জানতে পারেন ও প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
অভ্যন্তরীণ নির্দেশনায় আরও জানানো হয় যে, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য এই কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ভাতা ও উপবৃত্তির জন্য আবেদন পৃথিবীর বিভিন্ন কোণে থাকা সুবিধাভোগীদের জন্য অনলাইনে গ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে হিজড়া, বেদে, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, চা-শ্রমিকসহ অন্য সম্প্রদায়ও অন্তর্ভুক্ত।
আবেদনের জন্য আগ্রহীরা dss.bhata.gov.bd/online-application এই ঠিকানায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আবেদনকারীদের তাদের স্থায়ী ঠিকানা ভিত্তিক তথ্য প্রদান করতে হবে। বিশেষ করে, প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য আবেদনকারীদের নিজস্ব সুবর্ণ নাগরিক কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া, আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, একটি সচল মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব সম্পৃক্ত করতে হবে। ব্যাংক হিসাবের জন্য যোগাযোগের জন্য অবশ্যই একটি সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে।
সমাজসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, যারা ইতোমধ্যে অন্য কোনো সরকারি সুবিধার আওতায় নিয়মিত ভাতা পেয়ে থাকেন, তারা এ প্রোগ্রামের জন্য বিবেচিত হবেন না। আনুষ্ঠানিকভাবে আগে অনলাইনে আবেদন করে অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের আর নতুন করে আবেদন করতে হবে না।
নির্দেশনা অনুসারে, নতুন আবেদন ও অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে পাওয়া আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও বরাদ্দের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত উপকারভোগী নির্ধারণ করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করে সার্বিক যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হওয়ার পরে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।
চূড়ান্ত নির্বাচিত উপকারভোগী হিসেবে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ভাতা ও উপবৃত্তি পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবেন।
এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বিভাগীয় পরিচালক, জেলা ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্তভাবে, আবেদন ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় কোনো প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দিলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের টেকনিক্যাল টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
