আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী স্মরণে শনিবার (২৭ জুন) বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনায় অলিম্পিক ডে-২০২৬ পালন করা হয়েছে। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) এর আয়োজনে এবং বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সার্বিক সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয় রাজধানী ঢাকায়। রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম থেকে শুরু হয় কেন্দ্রীয় র্যালি, যেখানে দেশের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি ঢাকায় অংশগ্রহণ করে বহু ক্রীড়াবিদ, স্বল্পবেশী তরুণ-তরুণী, শিক্ষার্থীরাও। র্যালিটি এয়ারপোর্ট রোড, স্টাফ রোড এবং অন্যান্য সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার স্টেডিয়ামে ফিরে আসে। পাশাপাশি দেশের অন্য ছয়টি বিভাগীয় শহরেও র্যালি ও ক্রীড়া কার্যক্রমের আয়োজন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি, যিনি উদ্বোধনী বক্তব্যে অলিম্পিকের মূল মূল্যবোধ—উৎকর্ষতা, বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা—সম্প্রসারিত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা ও খেলাধুলার মাধ্যমে সমাজে একটি সুস্থ ও শক্তিশালী প্রজন্ম গড়ে তোলাই এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। চলমান বছরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘তুমিও পারবে, চল সবাই নড়াচড়া করি,’ যার মাধ্যমে সকলে শরীরচর্চা ও খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ হয়। র্যালির শেষে মনোমুগ্ধকর ক্রীড়া প্রদর্শনী এবং সেনাবাহিনী প্রধানের উপস্থিতিতে বিজয়ীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেন জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ, অলিম্পিয়ান, প্রশিক্ষক, ক্রীড়া সংগঠক, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তারা। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সেনাবাহিনী, বেসামরিক সংস্থাসহ বিভিন্ন স্তরের এক হাজার পঁচিশোর্ধ্ব বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব এই কার্যক্রমে অংশ নেন। এই উদযাপনে সাধারণ জনগণের মধ্যে ক্রীড়া চেতনা ফেরানোর পাশাপাশি সুস্থ জীবনযাপনের গুরুত্ব নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও উৎসাহ দেখা গেছে।

