জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের নির্বাচিত হওয়াকে বাংলাদেশের কূটনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ অর্জন বাংলাদেশের জন্য গর্বের—এটা এক বলিষ্ঠ কূটনৈতিক সাফল্য, যা দেশের আন্তর্জাতিক মর্যাদা বৃদ্ধি করবে বলে মনে করছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তবে, প্রশ্ন উঠছে—খলিলুর রহমান এই সময়ের মধ্যে জাতিসংঘের সভাপতির দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে থাকবেন কি না? এ ব্যাপারে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, এটি মূলত প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত। তিনি বলেছেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী বা তার সিদ্ধান্তের ওপরই সবকিছু নির্ভর করে।’’
শামা ওবায়েদ আরও জানান, খলিলুর রহমানের জন্য এ সময়ের জন্য প্রয়োজন সময় এবং মনোযোগ, যাতে তিনি জাতিসংঘে দায়িত্ব সুচারুভাবে পালন করতে পারেন। তবে, এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন যে, ‘এটি প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই হবে।’
অন্যদিকে, বাংলাদেশ থেকে কিছু দেশ থেকে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের আমন্ত্রণও এসেছে। তবে, কোন দেশে এবং কখন তিনি যাবেন, তা বিস্তারিত জানাবে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং। পর্যায়ক্রমে সব তথ্য জানানো হবে বলে শামা ওবায়েদ উল্লেখ করেন।
এদিকে, সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বক্তব্যে বাংলাদেশের একটি হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত তা তিনি জানেন বলে দাবি করেছেন। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, ‘সরকার ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ভারতের গ্রেপ্তার আসামিদের ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছে।’ তিনি আরও জানান, সরকারের নীতিতে এ ধরনের ঘটনার সাথে জড়িতদের ফিরিয়ে আনার জন্য সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

